Airtel & Robi User Only

প্রচ্ছদ » জলসা ঘর » বিস্তারিত

‘ভাল ছবি দেখতে দর্শক এখনো হলে ভিড় করে’

২০১৫ অক্টোবর ১১ ১৫:৫৩:১৩
‘ভাল ছবি দেখতে দর্শক এখনো হলে ভিড় করে’

মাসুম আওয়াল, দ্য রিপোর্ট : ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা শাহেদ শরীফ খান। অভিনয় করেছেন চলচ্চিত্রেও। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে শাহেদ অভিনিত ‘ছেলেটি আবল তাবল মেয়েটি পাগল পাগল’ ছবিটি। এতে এ্যান্টিহিরো চরিত্রে দেখা গেছে তাকে।

ছোট পর্দার শাহেদ তার অভিনয় নৈপুণ্যতা দেখিয়েছেন এ চলচ্চিত্রেও। সম্প্রতি চলচ্চিত্র ক্যারিয়ার ও নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন দ্য রিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকমের সঙ্গে। আলাপের চুম্বক অংশ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল—

ছবি মুক্তির দুই দিন পার হল কেমন সাড়া পাচ্ছেন?

প্রথম দিনেই চারটার মতো হল ঘুরেছি। এত দর্শকের সমাগম দেখে বার বার মুগ্ধ হয়েছি। ভাল ছবি দেখতে এখনো যে দর্শক হলে ভিড় করে এটাই তার প্রমাণ।

আপনাকে এ্যান্টিহিরো চরিত্রে দর্শক কেমন গ্রহণ করছে বলে মনে হচ্ছে?

আশাতীত প্রশংসা পেয়েছি। আমি আসলে এতটা আশা করিনি। যারা ছবিটা দেখেছেন তারাই প্রশংসা করেছেন। একজন আর্টিস্টের সবচেয়ে বড় পাওয়া তো আসলে এটাই। ছবিটা দেখে আমাকে অনেকেই ফোন করে তাদের অনুভূতি জানিয়েছেন। সেই অনুভূতিও ছিল ভাল লাগার মতো।

এর আগে জি সরকার পরিচালিত 'প্রিয়সাথী', তৌকীর আহমেদের ‘জয়যাত্রা’ দেবাশীষ বিশ্বাসের টেলিমুভিটকঝালমিষ্টিহৃদয় শুধু তোমার জন্যছবিতে অভিনয় করেছেন। ওই ছবিগুলোর তুলনায় সাইফ চন্দনের এ ছবির ক্যারেক্টারটি কেমন মনে হয়েছে?

আগের ছবিগুলোতে আমি যে ক্যারেক্টারে অভিনয় করেছি সেগুলোর সঙ্গে এ ছবির ক্যারেক্টারের কোনো মিল নেই। এ ক্যারেক্টারটিকে ঠিক খল নায়ক বলা যাবে না। ভিন্নরকম ক্যারেক্টার। যার নাম রুদ্র। সে তার প্রেমিকাকে পাওয়ার জন্য সব কিছু করতে পারে। প্রয়োজনে খুনও করতে পারে! যারা চলচ্চিত্রটি দেখেছেন তার বলতে পারবেন। এখনো যারা দেখেননি তাদের ছবিটি দেখার আমন্ত্রণ রইল।

এখন থেকে কি চলচ্চিত্রে নিয়মিত হবেন?

নিয়মিত তো হতেই চাই। ভাল গল্পের ছবি হলে অবশ্যই অভিনয় করব। সব সময়ই ভাল ভাল কোনো ছবি হাতে পাবার আশায় থাকি। ভাল গল্পের ছবি পেলে, ব্যাটে বলে মিলে গেলে কোমর বেঁধে নেমে পড়ব।

ছোট পর্দার নির্মাতারা চলচ্চিত্র নির্মাণ করছেন সফলও হচ্ছেন; আপনার চলচ্চিত্র নির্মাণের খবর কী?

অভিনয়ের পাশাপাশি ছোট পর্দার জন্য নাটক নির্মাণ করছি। চলচ্চিত্র নির্মাণেরও ইচ্ছে আছে। একটা গল্প নিয়ে প্রায় এক বছর কাটাছেঁড়াও করেছি। সব মিলিয়ে গল্পটা শেষ পর্যন্ত আমার মনোপুত মনে হয়নি। এখনো ট্রাই করছি। ছবি বানালে ভাল ছবিই বানাতে চাই। সত্যি কথা বলতে ‘ছেলেটি আবল তাবল মেয়েটি পাগল পাগল’-এ দর্শকের রেসপন্স দেখে ছবি বানানোর আগ্রহটা বেড়ে গেছে।

বর্তমান আর কী কী নিয়ে ব্যস্ততা?

বেশকিছু নাটকের শুটিং নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করছি।

সবশেষে কী বলতে চান?

ছবিটার শুটিংয়ের সময় আমরা অনেক কষ্ট করেছিলাম। কষ্টের ফলও পাচ্ছি ভালই। সিনেমা হলগুলোর যে দুরবস্থা, এর মধ্যেও দর্শক হলে এসে ছবিটা দেখছে। এ দৃশ্য সত্যিই ভাল লাগার মতো। বাংলা ছবির দর্শকদের আমার পক্ষ থেকে অনেক অনেক ভালবাসা। সবাই দেশের ইন্ডাস্ট্রিকে ভালবাসুন, ভাল ছবি দেখুন।

(দ্য রিপোর্ট/এএ/এনডিএস/আরকে/অক্টোবর ১১, ২০১৫)