প্রচ্ছদ » জাতীয় » বিস্তারিত

জাতীয় পাঠ্যপুস্তক উৎসব সোমবার

২০১৭ ডিসেম্বর ৩১ ১৮:৫০:৪৩
জাতীয় পাঠ্যপুস্তক উৎসব সোমবার

দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক : সারাদেশে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সোমবার (১ জানুয়ারি)পাঠ্যপুস্তক উৎসব পালিত হবে । এদিন ২০১৮ শিক্ষাবর্ষের প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সকল শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যের এ পাঠ্যপুস্তক তুলে দেয়া হবে।

এ বছর বিভিন্ন স্তরের ৪ কোটি ৩৭ লাখ ৬ হাজার ৮৯৫ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ৩৫ কোটি ৪২ লাখ ৯০ হাজার ১৬২ কপি পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হবে।

শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাসভবন গণভবনে আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিয়ে এ পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় আজিমপুর গভর্নমেন্ট গার্লস স্কুল এ্যান্ড কলেজ মাঠে দেশব্যাপী পাঠ্যপুস্তক উৎসবের কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন।

ন্যাশনাল কারিকুলাম এন্ড টেক্সট বুক বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক মো. মশিউজ্জামান জানান, সারাদেশে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পাঠ্যপুস্তক উৎসব পালনের সকল প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয়েছে। ২০১৮ শিক্ষা বর্ষের শুরুতে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ইবতেদায়ি, দাখিল, এসএসসি ভোকেশনাল,কারিগরি ও মাধ্যমিক স্তরের ৪ কোটি ৩৭ লাখ ৬ হাজার ৮৯৫ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামুল্যে বিতরনের লক্ষ্যে ৩৫ কোটি ৪২ লাখ ৯০ হাজার ১৬২ কপি পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই করে জেলা উপজেলায় পাঠানো হয়েছে। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ৯৬৩ জন শিক্ষার্থীর জন্য ব্রেইল পদ্ধতির ৮ হাজার ৪০৫ কপি পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

মশিউজ্জামান জানান, ২০১৮ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বারের মতো প্রাথমিক স্তরের ১ম শ্রেণির ৫টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য (চাকমা, মারমা, গারো, সাদরি ও ত্রিপুরা) ২৫ হাজার ৩৫৭ জন্য শিক্ষার্থীর মাঝে ৭৯ হাজার ৯৯২ কপি পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হবে। এছাড়াও প্রাপ-প্রাথমিক স্তরে ৩২ হাজার ৯৪৯ শিক্ষার্থীর জন্য ৬৯ হাজার ২৮৪ কপি মাতৃভাষায় রচিত পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ করা হয়েছে।

তিনি জানান, ২০১৭ সালের মাধ্যমিক পর্যায়ের ৫৬টি পাঠ্যপুস্তকের জন্য প্রায় ৪৬ লাখ শিক্ষক শিক্ষাকার্যক্রম নির্দেশিকা প্রতিটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় ২ সেট করে বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়েছে। ২০১৮ সালে অবশিষ্ঠ ১৫টি বিষয়ের নির্দেশিকা সরবরাহ করা হয়েছে।

রাজধানীর কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানের পাশাপাশি দেশের মাধ্যমিক স্তরের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ উৎসব পালিত হবে। বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উৎসবে উপস্থিত থাকবেন।

(দ্য রিপোর্ট/জেডটি/ডিসেম্বর ৩১, ২০১৭)