Airtel & Robi User Only

প্রচ্ছদ » জাতীয় » বিস্তারিত

ভোগান্তি কমাতে ঈদের বিশেষ ট্রেন চালু

২০১৮ জুন ১৩ ১০:০৫:৩৭
ভোগান্তি কমাতে ঈদের বিশেষ ট্রেন চালু

দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক : যাত্রী ভোগান্তি কমাতে প্রতিবছরের মতো এবারও ঈদ স্পেশাল ট্রেন (বিশেষ ট্রেন) চালু করছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। বুধবার (১৩ জুন) সকাল পৌনে ৯টায় দেওয়ানগঞ্জের উদ্দেশে প্রথম বিশেষ ট্রেনটি ছেড়ে যাবে। এবারই প্রথমবারের মতো ঢাকা-খুলনা-ঢাকা রুটেও চলবে বিশেষ ট্রেন।

এদিন ভোর থেকেই রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ঈদযাত্রীরা আসতে শুরু করে। সকাল ৬টার আগেই স্টেশনের প্রতিটি প্লাটফর্মেই হাজার হাজার মানুষ জড়ো হতে দেখা যায়।

পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে প্রতিদিনই ট্রেনযোগে ৭০ হাজার মানুষ রাজধানী ছাড়ছেন। আর এই ধারাবাহিকতায় বুধবার (১৩ জুন) ট্রেনযোগে ঢাকা ছাড়বে প্রায় এক লাখ মানুষ।

তবে সকালে খুলনাগামী ট্রেন সুন্দরবন এক্সপ্রেসের সিডিউল বিপর্যয়ের কারণে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। ট্রেনটি এদিন সকাল ৬টা ২০মিনিটে ছাড়ার কথা থাকলেও তা এক ঘণ্টা দেরিতে স্টেশন ছেড়ে যায়। তবে বাকি ট্রেনগুলো নিদিষ্ট সময়ে স্টেশন ছেড়েছে।

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার সিতাংশু চক্রবর্তী গণমাধ্যমকে জানান, অন্যদিন কমলাপুর থেকে ৬৬টি ট্রেন ছাড়লেও বুধবার থেকে আরও পাঁচটি যোগ হয়েছে। বুধবার থেকে ঈদের আগের রাত পর্যন্ত প্রতিদিন এক লাখ মানুষ ট্রেনযোগে ঢাকা ছাড়বে।

তিনি জানান, বুধবার ৩২টি আন্তঃনগর ট্রেন, পাঁচটি ঈদ স্পেশাল, ৩৪টি মেইল এবং লোকাল ট্রেন দেশের বিভিন্ন স্থানের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়ে যাবে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন সকাল সোয়া ৯টায় কমলাপুর থেকে লালমনিরহাটের উদ্দেশে একটি এবং রাত ১২টা ৫ মিনিটে খুলনার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে একটি বিশেষ ট্রেন। রাত ১০টা ৫০ মিনিটে পার্বতীপুরের উদ্দেশে একটি এবং রাত সোয়া ৯টায় রাজশাহীর উদ্দেশে ছেড়ে যাবে একটি বিশেষ ট্রেন।

খুলনা রুট ছাড়া বাকি রুটগুলোর বিশেষ ট্রেন ঈদের পর সাতদিন চলাচল করবে। ট্রেনগুলো ক্ষেত্র বিশেষে কয়েকটি স্টেশনে থামবে।

বিষে ট্রেনের বিষয়ে বিষয়ে রেলওয়ের স্টেশন ম্যানেজার সিতাংশু চক্রবর্তী গণাধ্যকে জানান, যাত্রীদের যাতে দুর্ভোগ পোহাতে না হয় সেজন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে সব সময় ঈদ স্পেশাল সার্ভিস চালু করে। এবারের ঈদ স্পেশাল ট্রেন চলবে আজ থেকে। এবার ঈদে খুলনা রুটে প্রথমবারের মতো স্পেশাল ট্রেন চলবে।

তিনি বলেন, ১০ জুন থেকে স্পেশাল ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে, যা এখনও চলমান। ঈদের পর সাতদিন ধরে এই ট্রেন চলবে। এসব ট্রেনের ফিরতি টিকিট নিজ নিজ স্টেশনে পাওয়া যাবে।

যাত্রা নিরাপদ করতে নিয়োজিত রয়েছে র‌্যাব, পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা ও আনসার সদস্য।

আর যাত্রীরা যাতে কোনো রকম ভোগান্তির শিকার না হন এজন্য রোভার স্কাউট, রেলওয়ে পুলিশ খুলেছে তথ্যকেন্দ্র। সেখান থেকে জেনে নিতে পারবেন বিস্তারিত সব তথ্য।

(দ্য রিপোর্ট/এনটি/জুন ১৩, ২০১৮)