Airtel & Robi User Only

প্রচ্ছদ » জাতীয় » বিস্তারিত

মিডিয়ার গলা চেপে ধরিনি : প্রধানমন্ত্রী

২০১৮ সেপ্টেম্বর ১৯ ১২:৫১:০৩
মিডিয়ার গলা চেপে ধরিনি : প্রধানমন্ত্রী

দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা সংবাদপত্র ও মিডিয়ার স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। আমরা এত উন্নয়ন করার পরও অনেকেই নানাভাবে সমালোচনা করেন। আমরা সংবাদপত্র বা মিডিয়ার কাউকে মুখ চেপে বা গলা চেপে ধরিনি। এ কথা কেউ বলতে পারবে না।

বুধবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অসুস্থ, অসচ্ছল ও দুর্ঘটনাজনিত আহত এবং নিহত সাংবাদিক পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সহায়তা ভাতা/অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। তাই সব ধরনের অপপ্রচার বন্ধে অনলাইন নীতিমালা গঠন করা হবে।

তিনি বলেন, মানু্ষের তথ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে চায় সরকার। মানুষের জীবন মানের পরিবর্তন করা হলো আওয়ামী লীগের মূল রাজনৈতিক উদ্দেশ্য।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে একটি টেলিভিশন এবং একটি রেডিও পেয়েছি। এরপর আমরা বেসরকারি খাতে টেলিভিশন উন্মুক্ত করে দেই। সংবাদপত্র এবং রেডিও যে যেভাবে চেয়েছে আমরা অনুমোদন দিয়েছি। তারপরও আমি কখনো সংবাদপত্রে বা মিডিয়ায় ভালো প্রচার পাইনি।

বঙ্গবন্ধু কণ্য বলেন,সকালে এক কাপ চা ও একটি পত্রিকা যে কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ, এটা তা আপনারা বোঝেন। টেলিভিশন বন্ধ রেখে সকালে পত্রিকা নিয়ে বসি। সব পত্রিকা যে পক্ষে লেখে তা নয়। প্রয়োজনীয় সংবাদগুলো মার্ক করি। সংশ্লিষ্টদের ব্যবস্থা নিতে বলি। সংবাদপত্র থেকে অনেক তথ্য পাই। দুর্গম জায়গার অনেক তথ্যও সংবাদপত্রে আসে। তাতে আমরা সহযোগিতা পাই। এ জন্য সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।

তিনি আরও বলেন, শুধু সাংবাদিক নয়। সকল পেশাজীবী মানুষের উন্নয়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমি মনে করি এটা আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য। কারণ, বঙ্গবন্ধুও সারাজীবন শুধু মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। আমি খুব কাছে থেকে দেখেছি সাংবাদিকদের জীবন কেমন। তাদের চাকরির কোনো নিশ্চয়তা নেই। বেতনেরও নিশ্চয়তা কম। এ কারণে আমি নিজ উদ্যোগে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করি।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমি মনে করি, এটি আমার একটা দায়িত্ব। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যা যা করা দরকার আমরা তা করছি।

(দ্য রিপোর্ট/এনটি/সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৮)