Airtel & Robi User Only

প্রচ্ছদ » জলসা ঘর » বিস্তারিত

হবু শাশুড়ি ঈদে দারুণ একটা শাড়ি উপহার দিয়েছেন : সানাই

২০১৯ জুন ০৪ ১৩:১৫:২৬
হবু শাশুড়ি ঈদে দারুণ একটা শাড়ি উপহার দিয়েছেন : সানাই

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক: ঈদ মানে খুশি। এই রঙিন দিনটিকে আরও রঙিন করে তুলতে প্রচেষ্টার শেষ থাকে না মানুষের। তারকারাও ব্যক্তি জীবনের ঈদকে সাজান অন্যদের মতই। তারকাদের ঈদ নিয়ে জানার আগ্রহ থাকে দর্শকদের।

তারা কে কী কিনলেন ঈদে, কোথায় ঘুরতে যাচ্ছেন? ঈদের দিনটা কীভাবে কাটাচ্ছেন? ঈদের কোন খাবার পছন্দ? ছোটবেলার ঈদ কেমন ছিলো?

এসব নানা বিষয়ের উত্তর জানার চেষ্টা করেছে গণমাধ্যম। আজ ঈদ নিয়ে কথা বলেছেন সানাই। তিনি জানালেন, এবার দেশের বাইরেই ঈদ করছেন। ঈদের কয়েকদিন পরে দেশে ফিরবেন।

তার ঈদ আনন্দ শুরু হয়েছে ঈদের আগে থেকেই। কারণ ঈদকে সামনে রেখে প্রিয়জনদের কাছে অনেক উপহার পেয়েছেন। মজার ব্যাপার হলো ঈদে তার হবু শাশুড়ি তাকে দারুণ একটি শাড়ি উপহার দিয়েছেন। হবু স্বামীর কাছ থেকেও অনেক ঈদের উপহার পেয়েছেন বলে জানালেন সানাই।

সানাই বলেন, ‘ঈদে আমার হবু শাশুড়ি আমাকে দারুণ একটা শাড়ি ও নাকফুল উপহার দিয়েছেন। শাড়িটা পরেছি। কিন্তু নাক ফুলটা পরতে পারছি না।’

নিজে কেনাকাটা করেছেন কী না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যা উপহার পেয়েছি। আর কিছুই কেনাকাটা করার ইচ্ছে নাই। মালদ্বীপে এসেছি। এখানে ঈদ করে ঢাকায় ফিরবো।’

ঈদের দিনটা কেমন কাটবে? সানাই বললেন, ‘ঈদে ঘুরতে ভালো লাগে। ঈদের দিন মিষ্টি জাতীয় খাবার খেতে ভালো লাগে আমার। ফিরনি, পায়েস, পুডিং, দুধ পোলাও পেলে তো আর কোনো কথায় নেই। এবার দেশের বাইরে থাকায় অনেক কিছু মিস করবো।’

ঈদে কখনো রান্না করা হয় কী না সে বিষয়ে সানাই বলেন, ‘আমি রান্না করতে পারি না। রান্না করতে গেলেই খাবার নষ্ট করে ফেলি। মা রান্না করেন। আর এবার তো বাইরে আছি এখানে রান্না করার সুযোগই নেই।’

ছোট বেলার ঈদের স্মৃতিও শোনালেন তিনি। সানাই বলেন, ‘আমি খুব সাধারণ পরিবারের মেয়ে। আমার বাবা ব্যাংকে চাকরি করতেন। এক রোজার ঈদের কথা আমার খুব ভালো মনে পড়ে। আমাদের বাড়ি বানানোর কাজ চলছে। বাবা দাদুর কাছে টাকা পাঠান।

দাদু বাড়ির কাজে খরচ করেন। সেইবার বাড়ির কাজে টাকা খরচ হয়ে যাওয়ায় আমার জন্য ঈদের পোশাক কিনতে পারেননি বাবা। আমার ছোট বোনের জন্য শুধু একটা জামা কিনেছেন।

আমরা তখন ঢাকায় থাকতাম, বাবা চাকরি করতে খুলনায়। সেবার ঈদে আর বাড়ি ফিরেননি বাবা। আমাকে জামা কিনে দিতে না পারায় এতোটাই কষ্ট পেয়েছিলেন তিনি। কারণ বড় মেয়ে হিসেবে বাবা আমাকে খুব ভালোবাসে। আমিও বাবাকে ছাড়া প্রথম ঈদে করেছিলাম। সেই বেদনার ঈদের কথা আমি কোনোদিন ভুলব না।’

(দ্য রিপোর্ট/এমএসআর/জুন ০৪, ২০১৯)