Airtel & Robi User Only

প্রচ্ছদ » জলসা ঘর » বিস্তারিত

এবার উপমহাদেশীয় মুসলিমদের নিয়ে তুর্কি সিরিজ!

২০২১ জানুয়ারি ১২ ১০:৪৪:২৬
এবার উপমহাদেশীয় মুসলিমদের নিয়ে তুর্কি সিরিজ!

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক: দিরিলিস আরতুগ্রুল ও কুরুলুস উসমান সিরিজের ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তার দরুন এবার এশিয়া তথা ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলিমদের নিয়ে টিভি সিরিজ নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে তুর্কি প্রযোজনা সংস্থা টেকদিন ফিল্ম।

১৯২০ সালে সংঘঠিত বলকান যুদ্ধের সময় ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলিমদের অবদান নিয়েই তৈরী হচ্ছে টিভি সিরিজটি। যার নাম দেওয়া হচ্ছে- ‘তুর্কি লালা’। ‘লালা’ শব্দটি নেয়া হয়েছে পশতু ভাষা থেকে। বাংলায় যার অর্থ ‘বড় ভাই’। অর্থাৎ ‘তুর্কি লালা’র অর্থ দাঁড়াচ্ছে- তুর্কি ভাই।

‘তুর্কি লালা’ সিরিজে মূলত ১৯২০ সালে সাম্রাজ্যবাদি শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করতে তুরস্কে যাওয়া উপমহাদেশের মুসলিমদের অবদান তুলে ধরা হবে। সিরিজে মূলত বলকান যুদ্ধের সময় ভারতীয় মুসলমানদের অবদান তুলে ধরা হবে। পাকিস্তান ও তুরস্কের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হবে নতুন এই সিরিজটি।

এ প্রসঙ্গে টেকদিন ফিল্ম-এর প্রধান কামাল টেকদিন বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে তুর্কি লালা সিরিজের জন্য মাত্রই চিত্রনাট্য লেখা শুরু করেছি। প্রথমে স্ক্রিপ তৈরি করা হবে, এরপর শুরু হবে এর শ্যুটিং।’

এরইমধ্যে একটি প্রতিনিধি দলসহ পাকিস্তানে গত ৭ ডিসেম্বর থেকে পাঁচ দিনের ভ্রমণে আছেন কামাল টেকদিন। তখন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে প্রতিনিধি দল নিয়ে সাক্ষাৎও করেন তিনি। সে সময় টেকদিন বলেন, ‘পাকিস্তান ও তুরস্কের অভিনেতারা এ সিরিজে অভিনয় করবেন। অবশ্য বেশির ভাগ শ্যুটিং তুরস্কেই হবে।’

ইমরান খানের সঙ্গে বৈঠককালে কাশ্মীর কমিটির চেয়ারম্যান শেহরিয়ার আফ্রিদি তাকে সিরিজটি সম্পর্কে অবহিত করেছিলেন এবং বলেছিলেন যে- খিলাফত আন্দোলনে তুর্কি লালা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

আর এ ক্ষেত্রে তিনি আবদুর রেহমান পেশোয়ারীর কথা উল্লেখ করছিলেন, যিনি ১৯২০-এর গোড়ার দিকে আনাদোলু এজেন্সি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর প্রথম সাংবাদিকদের একজন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিলেন।

আবদুর রেহমান ১৮৮৬ সালে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের রাজধানী পেশোয়ারে জন্মগ্রহণ করেন এক ধনী সমাদানী পরিবারে। বলকান যুদ্ধের সময় তুরস্ককে সহায়তা করার জন্য জনগণের মিশনে যোগ দিতে নিজের পড়াশোনা ত্যাগ করেছিলেন তিনি।

প্রসঙ্গত, সেই সময়ে তুরস্ককে সাহায্যকারী বেশিরভাগ মুসলমান খিলাফত আন্দোলনের পতাকার অধীনে বর্তমান পাকিস্তান থেকে যাত্রা করেছিলেন- বিশ শতকের গোড়ার দিকে ওসমানীয় সাম্রাজ্যকে সমর্থন করার অভিযানের অংশ হিসেবে। সূত্র- আনাদোলু।

(দ্য রিপোর্ট/আরজেড/১২ জানুয়ারি, ২০২১)