প্রচ্ছদ » লাইফস্টাইল » বিস্তারিত

শীত-বৃষ্টি: জেনে নিন সুস্থ থাকার উপায়

২০২১ ডিসেম্বর ০৬ ১৪:৪৪:০৮
শীত-বৃষ্টি: জেনে নিন সুস্থ থাকার উপায়

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক: চলছে শীত মৌসুম, তার সঙ্গে আবার বৃষ্টি। আবহাওয়ার এই পরিবর্তনে ছোট বড় সবাই শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। ফলে সর্দি-জ্বর জেঁকে বসতে পারে। তাই এমন দিনে সুস্থ থাকার উপায় জেনে নিন।

গোসল
যদি এমন দিন গোসল করতে ইচ্ছা না করে তাহলে নিজেকে জোর করবেন না। ঠান্ডার মধ্যে বৃষ্টিতে গোসল করলে ঠান্ডা লেগে যেতে পারে। যদি গোসল করেন তবে অবশ্যই ইষদোষ্ণ পানিতে গোসল করুন। তবে মাথায় পানি না দিলেই ভালো। ঠান্ডা লাগার ধাত থাকলে, বা লম্বা চুল থাকলে মাথা ভেজানো একেবারেই এড়িয়ে চলুন।

পোশাক
এ রকম দিনে ঠান্ডা বাতাস বয়ে চলে। বৃষ্টি পড়ে আকাশ পরিষ্কার হলেই শীত বাড়তে থাকে। তাই অবশ্যই ভালো করে গরম জামা-কাপড় পরে বেরোন। অটো বা বাসে জানলার ধারে বসলে মাথা, গলা ভাল করে ঢেকে বসুন। এই হাওয়ায় কিন্তু ঠান্ডা লেগে যায়। ভাইরাসের সংক্রমণ হয় শরীরে।

বৃষ্টিতে ভেজা
বৃষ্টি না থামা পর্যন্ত বাড়ি থেকে বের হবেন না। যদি মাঝ রাস্তায় বৃষ্টি নামে তাহলে শেডের তলায় গিয়ে দাঁড়িয়ে যান। হাজার ব্যস্ততাতেও বৃষ্টিতে ভিজবেন না। শরীর বাঁচানো গেলেও রাস্তায় জমা পানিতে পা ভিজে যায়। গন্তব্যে পৌঁছেই পা ভাল করে মুছে নিন। সুযোগ থাকলে হালকা গরম পানিতে ধুয়ে নিন। যদি বৃষ্টির মধ্যে একান্তই বাড়ি থেকে বের হতে হয় তবে ব্যাগে জামা, তোয়ালে অবশ্যই রাখুন।

জুতা
এ রকম দিনে অবশ্যই পা ঢাকা জুতা পরবেন। এতে ঠান্ডায় যেমন আরাম পাবেন, তেমনই সংক্রমণের হাত থেকেও রক্ষা পাবেন। বৃষ্টির পানি পায়ে লাগলে ঠান্ডা লাগার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। মোজা পরতে পারলে পা সুরক্ষিত থাকবে। তবে যদি রাস্তায় জমা পানিতে একান্তই হাঁটতে হয় মোজ অবশ্যই খুলে নেবেন। ভেজা মোজা পায়ে থাকলে শরীর খারাপ হবে।

হাত
সংক্রমণ দূরে রাখার প্রাথমিক শর্ত হাত পরিষ্কার রাখা। এই সব দিনে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়ার প্রকোপ বাড়ে। হাত থেকে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ছড়ায়। তাই হাত সব সময় পরিষ্কার রাখুন। ব্যাগে লিকুইড সোপ, টিস্যু, স্যানিটাইজার রাখবেন।

মুখ
এসব দিনে অবশ্যই সঙ্গে রুমাল রাখুন। মুখ, চোখ, নাকের মাধ্যমে ফ্লু ভাইরাসের সংক্রমণ হতে পারে। তাই যতটা সম্ভব মুখে হাত দেয়া এড়িয়ে চলুন। হাঁচি হলে, চোখ কটকট করলে রুমাল ব্যবহার করুন।

স্ট্রিট ফুড
সংক্রমণের আখড়া কিন্তু স্ট্রিট ফুড। শীত, বৃষ্টিতে ঘুম ঘুম পায়, মুড অফ লাগে, অবসাদ আসে। এমন সময় মনের মতো যা খুশি চটপটা খেতে ইচ্ছা করে। তবে ইচ্ছাই হলেই খেয়ে ফেলবেন না। বিশেষ করে ভাজাভুজি, তেলযুক্ত খাবার একেবারেই খাবেন না। বাড়ি থেকে লাঞ্চ প্যাক করে নিয়ে বের হন। বাইরের পানি, খাবার থেকে পেট খারাপ, জ্বরের সম্ভাবনা কিন্তু প্রবল।

হার্বাল ডোজ
এমন দিনে সব থেকে ভালো হার্বাল চা। এ ছাড়াও লবঙ্গ, দারুচিনি, তুলসি, গোলমরিচ, আদা খান। শরীর ভালো থাকবে। এনার্জিও বাড়বে।

(দ্য রিপোর্ট/আরজেড/ ০৬ ডিসেম্বর, ২০২১)