Airtel & Robi User Only

প্রচ্ছদ » শিক্ষা » বিস্তারিত

জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা বৃহস্পতিবার শুরু
   

২০১৮ অক্টোবর ৩১ ২০:৫৯:০০
জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা বৃহস্পতিবার শুরু   

দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক : দেশজুড়ে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা। ২০১০ সাল থেকে এ পরীক্ষা নেওয়া শুরু হয়।

পরীক্ষা উপলক্ষে বুধবার সকাল ১০টায় রাজধানীর মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শন করবেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

শিক্ষা বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, এ বছর জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার্থী ২৬ লাখ ৭০ হাজার ৩৩৩ জন। গত বছরের তুলনায় এবার দুই লাখ এক হাজার ৫১৩ পরীক্ষার্থী বেড়েছে। এর মধ্যে জেএসসিতে এক লাখ ৭৭ হাজার ৬৬ ও জেডিসিতে ২৪ হাজার ৪৪৭ জন।

এবার নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের সাত বিষয়ে ৬৫০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হবে। বাংলা দ্বিতীয় পত্র এবং ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র ছাড়া সব বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্নে পরীক্ষা হবে।

নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা এবং চারু ও কারুকলা, কৃষি শিক্ষা, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, আরবি, সংস্কৃত, পালি বিষয়গুলো এনসিটিবির নির্দেশনা অনুসারে বিদ্যালয়েই ধারাবাহিক মূল্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাই এসব বিষয়ে বোর্ড পরীক্ষা নেওয়া হবে না।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষা কক্ষে প্রবেশ করতে হবে। তবে অনিবার্য কারণে কোনো পরীক্ষার্থীকে এ সময়ের পরে হলে প্রবেশ করতে হলে তার নাম, রোল নম্বর, প্রবেশের সময়, দেরি হওয়ার কারণ ইত্যাদি একটি রেজিস্ট্রারে লিপিবদ্ধ করে ওই দিনই সংশ্নিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে প্রতিবেদন দিতে হবে কেন্দ্র সচিবকে।

পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে শিক্ষক, ছাত্র ও কর্মচারীদের মোবাইল ফোন, ফোনের সুবিধাসহ ঘড়ি, কলম এবং কেন্দ্রে ব্যবহারের অনুমতিবিহীন যে কোনো ইলেকট্রনিকস ডিভাইস ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকবে।

এ পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ২৮ অক্টোবর থেকে পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, নকলমুক্ত ও প্রশ্ন ফাঁসবিহীনভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে এবার খুবই কঠোর শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নজিরবিহীন নিরাপত্তায় এবার এ দুটি পরীক্ষা নেওয়ার আয়োজন করেছে এ মন্ত্রণালয়। প্রথমবারের মতো এবার এ পরীক্ষায় সিকিউরিটি খামে প্রশ্নপত্র রাখা হচ্ছে।

এ ছাড়া নিরাপত্তায় ব্যর্থতার কারণে ঢাকা মহানগরীতে ছয়টি কেন্দ্র বাতিল করা হয়েছে। প্রশ্ন ফাঁস রোধে পুলিশের পাশাপাশি ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ আলাদা একটি পর্যবেক্ষণ কমিটি গঠন করেছে। একই সঙ্গে পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের জন্য কেন্দ্রের সামনে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোসহ কেন্দ্র সচিবদের ২৭ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ১৫ সদস্যের বদলে পাঁচ সদস্যের পরীক্ষা কমিটি করা হয়েছে। সকাল সাড়ে ৯টার পরে কোনো পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হবে না। তবে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের পরীক্ষার্থীরা শুধু শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত পরীক্ষা দেবে।

(দ্য রিপোর্ট/একেএমএম/অক্টোবর ৩১,২০১৮)