Airtel & Robi User Only

প্রচ্ছদ » রাজনীতি » বিস্তারিত

এ বছরই দু’দলের কাউন্সিল

২০১৯ আগস্ট ০৫ ০৮:৫৬:৩৪
এ বছরই দু’দলের কাউন্সিল

দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক : অক্টোবরে জাতীয় সম্মেলন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা। তারা বলছেন, দেশে ডেঙ্গু ও বন্যার প্রাদুর্ভাব প্রকট আকার ধারণ করেছে। সম্মেলন প্রস্তুতি ছেড়ে দলীয় নেতাকর্মীরা এখন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় ব্যস্ত। এদিকে শোকাবহ আগস্টে বন্ধ দলীয় অন্যান্য কর্মসূচি।

জাতীয় কাউন্সিল নিয়ে ব্যস্ত ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও মাঠের বিরোধী দল বিএনপি। এ লক্ষ্যে সার্বিক প্রস্তুতি শুরু করেছে দল দুটি। সবকিছু ঠিক থাকলে এ বছরই অনুষ্ঠিত হবে দু’দলের কাউন্সিল। তবে এবারের কাউন্সিলে কোনো দলেই বড় চমকের সম্ভাবনা কম। শীর্ষপদে পরিবর্তন হচ্ছে না। শীর্ষ দুই পদ ছাড়া অন্যান্য পদে নতুন মুখ আসতে পারে। দু’দলেই জায়গা পাবেন যোগ্য, ত্যাগী এবং তরুণরা। বন্যা ও ডেঙ্গুর কারণে সম্মেলন প্রস্তুতির গতি কিছুটা কমেছে। তবে খুব শিগগির পুরোদমে এ সংক্রান্ত কাজ শুরু হবে

বন্যা ও ডেঙ্গুতে আটকা আ’লীগের প্রস্তুতি: অক্টোবরে সম্মেলন নিয়ে সংশয়
অক্টোবরে জাতীয় সম্মেলন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা। তারা বলছেন, দেশে ডেঙ্গু ও বন্যার প্রাদুর্ভাব প্রকট আকার ধারণ করেছে। সম্মেলন প্রস্তুতি ছেড়ে দলীয় নেতাকর্মীরা এখন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় ব্যস্ত। এদিকে শোকাবহ আগস্টে বন্ধ দলীয় অন্যান্য কর্মসূচি।

জাতীয় সম্মেলনের আগে তৃণমূল আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সম্মেলনও হচ্ছে না। আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সব মিলিয়ে নানা পরিস্থিতি বিবেচনায় নির্ধারিত সময় এবারের সম্মেলন না-ও হতে পারে। তবে অক্টোবরে না হলেও এ বছরের মধ্যেই জাতীয় সম্মেলন হবে বলে মনে করছেন দলের শীর্ষ নেতাদের অনেকেই।

আওয়ামী লীগের সর্বশেষ জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৬ সালের ২২ ও ২৩ অক্টোবর। সে হিসাবে আগামী অক্টোবরের ২৩ তারিখে শেষ হচ্ছে ত্রিবার্ষিক কমিটির মেয়াদ। সম্প্রতি দলটির কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে অক্টোবরে নির্ধারিত সময়ে সম্মেলনের প্রস্তুতি নিতে কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশ দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ৮টি সাংগঠনিক টিম গঠনের মাধ্যমে সম্মেলন প্রস্তুতির কাজও শুরু করেন নেতারা। টিমের সদস্যরা দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়েন। বিভিন্ন জেলা উপজেলায় তারা বর্ধিত সভার পাশাপাশি তৃণমূলের সার্বিক অবস্থা তুলে নিয়ে আসেন।

এ অবস্থায় দেশে বন্যা ও ডেঙ্গু ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়ে। নেতাকর্মীরা বন্যাদুর্গত এবং ডেঙ্গু আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানোয় সম্মেলন প্রস্তুতি কাজে ভাটা পড়ে। এ কারণে অনেক নেতা শঙ্কা প্রকাশ করেন নির্ধারিত সময়ে সম্মেলন না-ও হতে পারে।

সম্মেলন বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম রোববার বলেন, সম্মেলন কবে হবে, এ মুহূর্তে কিছু বলা যাবে না। তিনি বলেন, এখন দেশে ডেঙ্গু ও বন্যার তাণ্ডব চলছে। সারা দেশে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা ডেঙ্গু, বন্যা মোকাবেলায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।

উপরন্তু আগস্ট হল বাঙালি জাতির জন্য শোকের মাস। এ মাসে সম্মেলনসহ সংগঠনের অন্যান্য কর্মকাণ্ড স্থগিত থাকে। সেপ্টেম্বর থেকে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সম্মেলন প্রক্রিয়া শুরু হবে। পরিস্থিতি বুঝে জাতীয় সম্মেলনের তারিখ নির্ধারিত হবে বলেও জানান তিনি। তবে এ বছরের মধ্যেই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, দলের সিদ্ধান্ত আছে- সম্মেলন অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হবে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পর।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সম্মেলন প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সম্মেলন শুরুর প্রক্রিয়া চলছে। তৃণমূলে দ্বন্দ্ব বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় দীর্ঘদিনের পুরনো কমিটিগুলো নিয়ে চলছে পর্যালোচনা। এসব কমিটি ভেঙে দিলে কী হবে, না ভাঙলে অবস্থা কী দাঁড়াবে ইত্যাদি বিষয় দেখা হচ্ছে। আওয়ামী লীগসহ দেশবাসীর জন্য শোকাবহ মাস হচ্ছে আগস্ট।

এ মাসে দলীয় অন্যান্য কার্যক্রম বন্ধ রাখে ক্ষমতাসীন দলটি। অক্টোবরে সম্মেলন হলে হাতে সময় মাত্র এক মাস। এই এক মাসে সারা দেশে তৃণমূল পর্যায়ে সম্মেলন করে জাতীয় সম্মেলন করা প্রায় অসম্ভব। সে হিসেবে সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে বর্তমান কমিটির মেয়াদ বাড়িয়ে সম্মেলনের তারিখ কিছুটা পিছিয়ে এ বছরের শেষদিকে নেয়ার চিন্তাও করছেন অনেকে।

আওয়ামী লীগের নিতিনির্ধারক পর্যায়ের একাধিক নেতার সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, ২০১৬ সালের সম্মেলন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনসহ বেশকিছু কারণে পিছিয়ে অক্টোবরে করা হয়েছিল। এবারও ডেঙ্গুসহ তৃণমূল সম্মেলনের প্রস্তুতি পুরোপুরি সম্পন্ন না হওয়ার কারণে পেছাতে পারে।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ রোববার বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা অক্টোবরকে ধরেই সম্মেলন প্রস্তুতি নিচ্ছি। তিনি বলেন, জাতীয় সম্মেলন দু’ভাবে হতে পারে- তৃণমূল সম্মেলন শেষ করে নতুবা চলমান রেখে। তবে সম্মেলন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনের আগে দলটির মেয়াদোত্তীর্ণ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর সম্মেলন হওয়ার কথা। কিন্তু আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনের তারিখ ঘনিয়ে এলেও সহযোগী এসব সংগঠনের সম্মেলনের নির্দেশনা দেয়া হয়নি।

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক বলেন, কেন্দ্র থেকে উপজেলা সম্মেলনের নির্দেশনা আছে। আমরা এখন বন্যা, ডেঙ্গু ও শোকের মাসের কর্মসূচি নিয়ে ব্যস্ত। এসব কাটিয়ে উঠলেই জেলার কয়েকটি ইউনিটের সম্মেলন প্রস্তুতি শুরু করব।

বড় চমক থাকছে না বিএনপিতে
চেয়ারপারসন, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহাসচিব পদে পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই * স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারে ৫ নতুন মুখ * যোগ্য, ত্যাগী ও তরুণরা গুরুত্বপূর্ণ পদ পাবেন

জাতীয় কাউন্সিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। এ লক্ষ্যে শুরু হয়েছে দল পুনর্গঠন। সবকিছু ঠিক থাকলে এ বছরের শেষের দিকেই হবে কাউন্সিল। বিগত সময়ে সম্মেলন নিয়ে চমক থাকলেও এবার তেমন কিছু হওয়ার সম্ভাবনা কম। দলটির চেয়ারপারসন ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান পদে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানই থাকছেন।

গঠনতন্ত্রে তাকে (তারেক রহমান) আরও ক্ষমতা দেয়া হতে পারে। মহাসচিব পদে পরিবর্তনের সম্ভাবনা খুবই কম। সবকিছু ঠিক থাকলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরই থাকছেন এ পদে।

তবে স্থায়ী কমিটিতে কিছুটা পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে কমপক্ষে পাঁচজন নতুন মুখ আসতে পারে। ভাইস চেয়ারম্যান ও যুগ্ম-মহাসচিব এবং সম্পাদকীয় কিছু পদে পরিবর্তন আসবে। যোগ্য, ত্যাগী এবং তরুণদের এসব পদে পদায়ন করার পরিকল্পনা রয়েছে হাইকমান্ডের।

আগামী কাউন্সিলের আগে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন বলে মনে করছেন নীতিনির্ধারকরা। এমনটা ধরে নিয়ে ডিসেম্বরে দলের ৭ম জাতীয় কাউন্সিল করার চিন্তা করছে বিএনপি। সেজন্য দ্রুত সাংগঠনিক জেলা শাখা পুনর্গঠনের কাজ শেষ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

৮২টি সাংগঠনিক জেলার মধ্যে ইতিমধ্যে ৩৩ জেলার নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। বাকিগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা কাজ করে যাচ্ছেন। যেসব জেলায় কোন্দল রয়েছে সেগুলো নিরসনেও চেষ্টা চলছে। মূল দলের পাশাপাশি কাউন্সিলের আগে ছাত্রদলসহ অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনও পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জাতীয় নির্বাহী কমিটির ৩ বছরের মেয়াদ ১৯ মার্চ শেষ হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ে এবার কাউন্সিল করার পরিকল্পনা থাকলেও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ায় সব পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। পরে তৃণমূলের মতামতের ওপর ভিত্তি করে কাউন্সিল করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা দলের জাতীয় কাউন্সিলের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। এ লক্ষ্যে আমাদের সাংগঠনিক পুনর্গঠনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে কাউন্সিলের দিনক্ষণ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তিনি বলেন, নেতৃত্ব নির্বাচন হবে তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে।

তারা যাকে নেতৃত্বে চাইবেন এর বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তবে যারা যোগ্য এবং বিগত সময়ে আন্দোলন সংগ্রামে অবদান রয়েছে তারাই গুরুত্বপূর্ণ পদে আসবেন বলে আশা করি।

সূত্র জানায়, সপ্তম কাউন্সিলে শীর্ষ পদে পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। নিয়মমাফিক আনুষ্ঠানিকতা বাদ দিলে খালেদা জিয়াই ফের দলের চেয়ারপারসন হচ্ছেন এটা নিশ্চিত। সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান পদেও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। লন্ডনে অবস্থানরত বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানই আসছেন এ পদে।

তবে এবার কাউন্সিলে গঠনতন্ত্রে তাকে আরও ক্ষমতা দেয়া হতে পারে। দলের তৃতীয় শীর্ষ পদেও নতুন মুখ আসার সম্ভাবনা নেই। মহাসচিব হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পুনরায় এ পদে আসছেন এখন পর্যন্ত হাইকমান্ডের ভাবনা এমনই।

তবে দলের একটি অংশ তার মহাসচিব পদ আটকাতে এখন থেকেই মাঠে সক্রিয়। দল পরিচালনায় ব্যর্থসহ তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তোলা হচ্ছে। হাইকমান্ডের কান ভারি করার চেষ্টা চলছে।

তবে বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর হাইকমান্ডের নির্দেশে শপথ না নেয়াসহ সাম্প্রতিক সময়ে দলের চেইন অব কমান্ড ফিরিয়ে আনায় হাইকমান্ড তার ওপর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। বর্তমানে তারেক রহমানেরও খুব আস্থাভাজন মির্জা ফখরুল।

দলের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে তারেক রহমান সব সময় মহাসচিবের পরামর্শ নিচ্ছেন।

তাই সবকিছু ঠিক থাকলে মহাসচিব পদে ফখরুলই আসছেন বলে মনে করছেন নেতাকর্মীরা।

সূত্র জানায়, ১৯ সদস্যের স্থায়ী কমিটিতে পাঁচটি পদে নতুন মুখ আসার সম্ভাবনা রয়েছে। গতবার কাউন্সিলের পর দলের স্থায়ী কমিটি করা হয় তাতে দুটি পদ খালি রাখা হয়। এর মধ্যে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম, ব্রি. জে. (অব.) আসম হান্নান শাহ ও এমকে আনোয়ার মারা গেছেন। ফলে পাঁচটি পদ শূন্য হয়।

সম্প্রতি স্থায়ী কমিটিতে সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আরও তিনটি পদ ফাঁকা রয়েছে। এদিকে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার জন্য স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান দলীয় কর্মকাণ্ডে অনুপস্থিত।

প্রবীণ নেতা ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকারও শারীরিকভাবে ততটা ফিট নন। অসুস্থতার কারণে তাদের বাদ পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনটি পদ ফাঁকা ও আরও কমপক্ষে দু’জনের বাদ পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে মোট পাঁচ পদে নতুন মুখ আসবে।

এসব পদে তরুণদের মধ্যে কেউ কেউ জায়গা পেতে পারেন। স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পেতে সিনিয়র নেতারা লবিং শুরু করেছেন।

বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, মোহাম্মদ শাহজাহান, বরকতউল্লা বুলু, আবদুল আউয়াল মিন্টু, অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন, মেজর (অব.) হাফিজউদ্দীন আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের মধ্য থেকে কয়েকজন এ পদে আসতে পারেন।

এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদেও নতুন মুখ আসবে। স্থায়ী কমিটিতে পদোন্নতি হওয়ায় কয়েকটি পদ ফাঁকা হওয়ার পাশাপাশি বিগত সময়ে কয়েকজন মারাও গেছেন। এছাড়া বার্ধক্যজনিত কারণে বাদ পড়বেন কয়েকজন।

কাউন্সিলের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান বলেন, বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রমাণ হয়েছে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করে সরকার পরিবর্তন সম্ভব নয়। এ অবস্থায় একমাত্র রাস্তা গণআন্দোলন। সেই গণআন্দোলন করতে হলে দরকার শক্তিশালী সংগঠন।

এজন্য দলকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করার ওপর জোর দেয়া হয়েছে। কাউন্সিলের মাধ্যমে তৃণমূল থেকে সব পর্যায়ে যোগ্য নেতৃত্ব তুলে আনা হবে। সেই প্রস্তুতি আমরা শুরু করেছি।

(দ্য রিপোর্ট/আরজেড/আগস্ট ০৫, ২০১৯)