Airtel & Robi User Only

প্রচ্ছদ » খেলা » বিস্তারিত

বিদায়বেলায় মুখ খুললেন সাকিব-মুশফিকদের ‘ফাহিম স্যার’

২০১৯ অক্টোবর ০১ ১০:২১:২৮
বিদায়বেলায় মুখ খুললেন সাকিব-মুশফিকদের ‘ফাহিম স্যার’

দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক: ভালো নাম নাজমুল আবেদীন। ক্রিকেটাররা ডাকে ‘ফাহিম স্যার’ নামে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাথে ১৪ বছরের সম্পর্ক চুকিয়ে বিদায় নিয়েছেন নিজ কর্মক্ষেত্র থেকে। দেশের ক্রিকেট উন্নয়নে এমন নিবেদিত প্রাণ একজনের হুট করে বিদায়ে গুঞ্জন উঠেছে। বিদায়বেলায় ‘ফাহিম স্যার’ জানালেন নিজের মূল কাজ থেকে সরিয়ে দেয়া এবং কর্মক্ষেত্রে স্বাধীনতার অভাবেই বিসিবি ছেড়েছেন নাজমুল আবেদীন।

১৯৮৮ থেকে ২০০৫—বিকেএসপিতে ১৭ বছর কাজ করা নাজমুল আবেদীন বিসিবিতে যোগ দেন ২০০৫ সালে। লম্বা সময় কাজ করেছেন গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগে। গত এক যুগে পাইপলাইন সমৃদ্ধকরণে তাঁর অবদান বিরাট। পাশাপাশি সাকিব-মুশফিকের মতো তারকা ক্রিকেটার থেকে শুরু করে বেশির ভাগ খেলোয়াড় দুঃসময়ে শরণ নেন নাজমুলের।

বিসিবিতে যুক্ত থেকেও দেশের ক্রিকেটের এই অভিভাবক সংস্থার নানা অসংগতি, ভুলত্রুটি আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে কখনোই দ্বিধান্বিত হননি। তবে এর বছরের সম্পর্ক কেন হুট করে সমাপ্তি টানছেন সাকিব-মুশফিকদের ‘ফাহিম স্যার’? শেষ বেলায় এসে মুখ খুললেন তিনি।

‘আমার মূল কাজ কোচিং করানো। সেই জায়গা থেকে ধীরে ধীরে দূরে সরে গেছি। কোচিং না করালেও পরামর্শ বা খেলোয়াড়দের নানাভাবে অনুপ্রাণিত করার সুযোগ ছিল। আমি খেলোয়াড়দের কাছেই থাকতে চেয়েছি, সেটি ছেলেদের ক্রিকেট হোক কিংবা মেয়েদের। খেলোয়াড়দের সঙ্গে আমরা যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে সেটি কমাতেই এ সিদ্ধান্ত।’

দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে ফাহিম স্যারকে মনে করা অন্যতম জ্ঞানী মানুষ হিসেবে। ক্রিকেটের সবথেকে বড় সাফল্য- নারীদের এশিয়া কাপ জয়, সেটাও এসেছে তাঁর হাত ধরে। এরকম প্রতিভাবান একজন মানুষের বর্তমান কর্মক্ষেত্র খুবই সীমিত। নিজের এই সংকুচিত কাজটা উপভোগ করতে না পারাটাই বিসিবি ত্যাগের মূল কারণ।

‘কাজের ক্ষেত্রটা যদি মনের মতো না হয়, সেটি উপভোগ করা যায় না। কাজ উপভোগ করা জরুরি। আমি ঠিক উপভোগ করতে পারছিলাম না। এ কাজ চালিয়ে যাওয়ার তাই যৌক্তিকতা নেই। তবে মূল কারণ ওটাই, কাজের ক্ষেত্র দিনে দিনে ছোট হয়ে যাচ্ছিল।’

(দ্য রিপোর্ট/আরজেড/অক্টোবর ০১,২০১৯)